কি ভাবে ইউটিউব থেকে আয় করা যায়? (অনলাইন টাকা উপার্জন-YouTube Online Earn) - ABC Media BD

Breaking

Wednesday, November 27, 2019

কি ভাবে ইউটিউব থেকে আয় করা যায়? (অনলাইন টাকা উপার্জন-YouTube Online Earn)


আপনি কি বর্তমান সময়ে অনলাইন টাকা ইনকাম করার কথা চিন্তা করে থাকেন, তাহালে আমি আপনাকে বলবো ইউটিউব থেকে আয় করার সহজ পদ্ধতি। এই পদ্ধতি হতে পারে আপনার  জন্য লাভ জনক। দেশী বিদেশী হাজার হাজার ইউটিউবার রয়েছে যারা ইউটিউব থেকে প্রতি মাসে হাজার হাজার লক্ষ লক্ষ টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

কি ভাবে ইউটিউব থেকে আয় করা যায়? (অনলাইন টাকা উপার্জন)
কি ভাবে ইউটিউব থেকে আয় করা যায়? (অনলাইন টাকা উপার্জন)


তারা কেবল তাদের একটি মাএ ইউটিউব চ্যালেন থেকে এই পরিমান টাকা উপর্জন করছে। যার ফলে তাদের আর অতিরিক্ত কোনো কিছু করার দরকার হচ্ছে না। এমন কি তাদের চাকরি, ব্যবসা করার কোনো দরকার হচ্ছে না। তারা তাদের YouTube Channel কে ব্যবসা হিসাবে চালিয়ে প্রতিমাসে লক্ষ লক্ষ টাকা আয় করছে।

এখন আপনি যদি আমার কাছে প্রশ্ন করেন, "কি ভাবে ইউটিউব থেকে টাকা উপর্জন করবেন" তাহালে এটার সঠিক উওর আমার কাছে রয়েছে।  আমি এই আর্টিকেলে আপনাদের খুব সহজ ভাবে বুঝিয়ে দিবো কি ভাবে ইউটিউব থেকে আয় করবেন।

সত্তি কথা বলতে কি জানেন? আসলে ইউটিউব (YouTube) থেকে আয় করা খুবই সহজ। কিন্ত আপনি যদি এই বিষয়ে একেবারে নতুন হয়ে থাকেন তাহালে শুরুতে আপনার অসুবিধা হয়ে যাবে। তার জন্য আমি আপনিকে বলে দিবো এখন  ইউটিউব থেকে আয় করার জন্য কি কি করতে হবে, কিসের প্রয়োজন হবে এবং কি ভাবে YouTube Channel দিয়ে ব্যবসা শুরু করবেন সেটা ধাপে ধাপে বুঝিয়ে দিবো।

ইউটিউব SEO কি? ইউটিউব ভিডিওতে এস ই ও (SEO) কি ভাবে করবেন

এখন আপনারা এই আর্টিকেল থেকে কি কি শিখবেন সেটা নিচে উল্লোখ করে দিচ্ছি। আপনারা মনোযোগ দিয়ে পড়বেন।


  • কি ভাবে ইউটিউব থেকে টাকা আয় করবেন?



  • ইউটিউব থেকে কত পরিমান টাকা আয় করা যায়?



  • ইউটিউবের আয় করা টাকা কি ভাবে উত্তলন করবেন?


এবার আমি উপরের বিষয়ে আপনাদের বিরস্তিত ভাবে বলব। আর আপনি নিচের বিষয় গুলো বিরস্তিত ভাবে পড়বেন। যাতে সহজে বুঝতে পারেন। এই বিষয় গুলো বুঝো আপনি ও একজন সফল YouTuber  হয়ে খুব সহজে ইউটিউব থেকে   টাকা ইনকাম করতে পারবেন। শুধু একটু মন দিয়ে লেখাগুলো পড়বেন আর সময় এবং মন দিয়ে কাজ করবেন।

কি ভাবে ইউটিউব থেকে টাকা আয় করা যায়? (YouTube Earning)


ইউটিউব থেকে টাকা আয় করার সব মাধ্যম হচ্চে আপনি একটি ইউটিউব চ্যালেন খুলবেন এবং সেই চ্যালেন ভিডিও আবলোড করবেন। এই ভাবে টাকা আয় করতে পারবেন আপনি।

কি আমি যেটা বলছি সেটা আপনারা ঠিকই শুনছেন। হা নিজে একটি ইউটিউব চ্যালেন ভিডিও আবলোড করে টাকা আয় করতে পারবেন। হাজার হাজার ইউটিউবার মাসে লক্ষ লক্ষ টাকা আয় করছে।

আসলে ইউটিউব এমন একটি ওয়েবসাইট  যেখানে আপনি সব প্রকার ভিডিও ভিডিও দেখতে পারবেন। যদি আপনি কোনো বিষয়ে জানতে বা শিখতে চাচ্ছেন তাহালে "টিউটোরিয়াল ভিডিও" দেখতে পাবেন। আবার যদি সময় কাটানোর জন্য Fanny videos দেখতে চান সেটাও পাবেন। মুভি, গান, খেলা-ধুলা মোট কথা সব রকমের ভিডিও আপনি দেখতে পাবেন।

এখন আপনার মনে একটা প্রশ্ন আসতে পারে যে কে বা কারা এই ভিডিও গুলো ইউটিউবে আবলোড দেয়। এর সঠিক উওর আমার কাছে রয়েছে। আমি উওর দিচ্ছি- এই ভিডিও গুলো আবরোড করে আমার মতো বা আপনার মতো মানুষরা। এই ভাবে আবলোড করতে করতে ইউটিউবে লক্ষ লক্ষ ভিডিও জমা হয়ে গেছে। আর এই ভিডিও গুলো আমরা ইউটিউবে গিয়ে দেখতে পায়।

এবার আপনার মনে আবার প্রশ্ন আসতে পারে মানুষরা যে ইউটিউবে ভিডিও গুলো দেয় তাদের মূল্যবান সময় নষ্ট করে এতে তাদের লাভ কি? এদের অনেক লাভ আছে কারণ তারা ভিডিও গুলো থেকে টাকা আয় করে।

কি ভাবে গুগল এডসেন্স একাউন্ট খুলবেন

আসলে YouTube এ এমন একটি প্রক্রিয়া রয়েছে যাকে "Monetization" বলা হয়। আপনি ইউটিউবে "Monetization" পাবার পরে আপনার ভিডিও থেকে ইনকাম করা শুরু হয়ে যাবে।

"YouTube channel Monetization" পাবার পরে গুগল এডন্সেস থেকে আপনার ভিডিওতে এড (Add) দেখানো হবে। আপনার ইউটিউবে যখন বিভিন্ন ভিডিও দেখেন তখন দেখবেন একটি ভিডিও শুরু হওয়ার আগে ৮ থেকে ১০ সেকেন্ড এর মতো একটা এড (Add) দেখানো হয়।

আমরা কেউ কেউ এডটাকে Skib করে চলে যায়। আবার কেউ পুরোপুরিভাবে এডটা দেখি তার পর ভিডিও দেখতে শুরু করি। এখন আপনাদের মনে প্রশ্ন আসতে পারে তাহালে সব ভিডিও শুরু হওয়ার আগে add দেখায় না কেন? এটার উওর হলো যাদের চ্যালেন এখনো Monetization পায়নি তাদের চ্যালেনে add দেখাবে না।

আবার অনেক সময় এমন হয় যাদের Monetization আছে তাদের সব ভিডিওতে Add দেখায় না। কারণ গুগল ভিডিওতে add দেখানোর আগে ভিডিও review করে নিয়ে তার পর add দেখায়।

মূলত গুগল এডসেন্স ঔ add গুলো ভিজিটর্সরা দেখার জন্য google Adsense account এ টাকা জমা হতে থাকে। এর আপনি সেই টাকা নিজের  ব্যাংক একাউন্টে নিয়ে আসতে পারবেন।

এবার চলুন আমরা জেনে নেই কি ভাবে একটি ইউটিউব চ্যালেন তৈরি করে টাকা আয় করতর পারি। তার জন্য আমি আপনাদের ধাপে ধাপে বুঝিয়ে দিবো।

আসলে আপনি ইউটিউব থেকে প্রচুর পরিমানে টাকা আয় করতে পারবেন। তার জন্য সর্বপ্রথমে আপনাকে ধৈর্য ধারণ করে কাজ করতে হবে। সেটা করতে পারলে আপনি টাকা আয় করতে পারবেন। আপনি একটি YouTube channel কে ব্যবসা হিসাবে নিতে পারেন। তাহালে চলুন কি ভাবে আমরা ইউটিউব থেকে টাকা আয় করতে পারি সেটা ধাপে ধাপে জেনে নেই-


(১) YouTube Channel তৈরি করা


সর্বপ্রথম আপনাকে একটি ইউটিউব চ্যালেন তৈরি করতে হবে। এবং তাতে ভালো মানের ভিডিও আবলোড করতে হবে। এবার হয়তে আপনার মনে প্রশ্ন আসতে পারে কি করে ইউটিউব চ্যালেন তৈরি করবেন? তার জন্য প্রথমে আপনাকে YouTube Website এ যেতে হবে।

তার পরে একটি জিমেইল একাউন্ট দিয়ে লগইন করতে হবে। কারণ ইউটিউব হচ্ছে গুগলের একটি ফ্রি ওয়েবসাইট। সেই জন্য গুগল একাউন্ট দিয়ে লগইন করতে হবে। আপনার যদি জিমেইল একাউন্ট না থাকে তাহালে gmail.com গিয়ে একটি একাউন্ট তৈরি করে নিবেন।

ইউটিউব চ্যালেন কি ভাবে তৈরি করবেন


কি ভাবে ইউটিউব চ্যালেন তৈরি করবেন এই নিয়ে আমার এই ওয়েবসাইটে আমি আগে একটি আর্টিকেল লিখেছি আপনরা সেই আর্টিকেলটি পড়লে পুরোপুরিভাবে বুঝতে পারবেন। তার পরও আমি একটু আলোচনা করছি।

YouTube Channel তৈরি করার জন্য প্রথমে YouTube website এ গিয়ে জিমেইল একাউন্ট দিয়ে লগইন করবেন। YouTube website গিয়ে ডান দেখবেন একটি "Icon" দেখতে পাবেন। সেখানে ক্লিক করে "Creator studio" নামে একটি অপশন দেখতে পাবেন। এখানে ক্লিক করারর পর আপনি YouTube channel dashboard দেখতে পাবেন।

কি ভাবে সহজে Gmail Account খুলবেন

এখানে যাবার পর আপনার নিজের চ্যালেন এর নাম ও চ্যালেনের সাথে জড়িত থাকা সব রকমের অপশন দেখতে পাবেন। তার পরে YouTube channel verify করে নিবেন। তার পর আপনি ভিডিও আবলোড করতে পারবেন। আর ইউটিউব থেকে টাকা আয় আয় করতে পারবেন।

(২) YouTube Channel ভিডিও আবলোড করুন


ইউটিউব চ্যালেন তৈরি করার পরে টাকা আয় করার জন্য আপনাকে ইন্টারেস্ট (interstating) ভিডিও তৈরি করে আবলোড করতে হবে। ধীরে ধীরে আপনার ভিডিও গুলো ভিজিটর্সরা দেখতে থাকবে এবং ভিডিও ভালো লাগলে আপনার চ্যালেন সাবক্রাইব করবে।

এভাবে ধীরে ধীরে আপনার ইউটিউব চ্যালেন রেংক করবে। ভিডিওতে ট্রফিক বা ভিজিটর্স পাবেন। আপনি একজন সফল ইউটিউবার হয়ে যাবেন এবং ইউটিউব থেকে টাকা আয় করতে পারবেন।


(৩) YouTube এ কেমন বিষয়ে ভিডিও আবলোড করবেন?


আমি আগে আপনাদের বলেছি আপনি এমন সব বিষয়ে ভিডিও আবলোড করবেন যে ভিডিও গুলো ভিজিটর্সরা যেন মনোযোগ দিয়ে দেখে। আপনি আগে কীওয়ার্ড রিসার্চ করে দেখবেন কি কি বিষয়ে মানুষরা বেশি ইউটিউবে সার্চ দিচ্ছে।  সেই টপিকের উপর ভিডিও তৈরি করবেন।

তাছাড়া আরো বিভিন্ন প্রকারের ভিডিও আপনি তৈরি করতে পারবেন। তবে আপনি একটি টপিকের উপর ভিডিও তৈরি করবেন। এতে ভিজিটর্সরা সহজে বুঝতে পারে আপনি কি বিষয়ে ভিডিও তৈরি করেন এতে চ্যালেন subscribe করবে এবং আপনার চ্যালেন দ্রুত রেংক করবে।

আমি নিচে ইউটিউব ভিডিও তৈরি করার কয়েকটি টপিকের নাম উল্লোখ করছি। যেমন-


  • টেকনোলজি
  • মোবাইল ফোন রিভিউ
  • অ্যাপ রিভিউ
  • টিউটোরিয়াল রিভিউ
  • খাবার তৈরির নিভিউ


এছাড়া আরো ভিভিন্ন ক্যাটাগরি নিয়ে আপনি ভিডিও তৈরি করতে পারেন। এক কথায় আপনি যে বিষয়ে ভালো জানেন সেই বিষয়ে ভিডিও তৈরি করবেন। মনে রাখবেন একটা চ্যালেনে নানা টপিকের ভিডিও আবলোড করবেন না এতে ভিজিটর্সরা বুঝতে পারে না যে আপনি কি বিষয়ে ভিডিও তৈরি করছেন।

(৪) YouTube Monetization চালু করুন


আপনি যখন নিয়মিত ভিডিও আবলোড করবেন তখন আপনার চ্যালেন views এবং subscribe বেড়ে যাবে। যখন আপনার চ্যালেনে ১০০০ subscribe এবং ৪০০০ ঘন্টা ওয়াচ টাইম হয়ে যাবে তখন আপনি Monetization এর জন্য গুগল এডসেন্স এর কাছে আবেদন করতে পারবেন।

এর পর গুগল এডসেন্স আপনার ইউটিউব চ্যালেনটিকে রিভিউ করে দেখবে যে আপনার চ্যালেন কোনো সমস্যা আছে কিনা তার পরে গুগল এডসেন্স এ এপরুভ করে নিবে। তার পর থেকে আপনার ভিডিওতে Add দেখাবে। এই Add দেখার জন্য আপনাকে গুগল এডসেন্স টাকা দিবে।

ইউটিউবে কি ভাবে গুগল এডসেন্স যোগ করবেন এই বিষয়ে আমার এই ওয়েবসাইটে একটি আর্টিকেল রয়েছে আপনি সেটা পড়লে বুঝতে পারবেন কি ভাবে ইউটিউবে এডসেন্স এড করবেন।


ইউটিউব থেকে টাকা কি ভাবে তুলবেন


YouTube এ Monetization করার পরে আপনার ভিডিওতে যে Add দেখানো হবে। সেই  Add এর সমস্ত টাকা গুগল এডসেন্স একাউন্টে জমা হবে। প্রথমে যখন আপনার একাউন্টে ১০$ ডলার জমা হবে তখন আপনার নিজের ঠিকানায় গুগল থেকে একটি পিন ভেরিপিশন দিয়ে একটি চিঠি পাঠাবে গুগল এডসেন্স। ঔ পিন নংবার দিয়ে এডসেন্স একাউন্টে সাবমিট করতে হবে। এবং ব্যাংকের একাউন্ট নং বা মাস্টার কার্ড যোগ করতে হবে।

ব্লগিং এ কীওয়ার্ড রিসার্চ (Keyword research) কেন জরুরি?

তারপর যখন আপনার ইউটিউব একাউন্টে ১০০$ ডলার হয়ে যাবে তখন গুগল এডসেন্স প্রতিমাসে আপনার ব্যাংক একাউন্টে টাকা ট্রান্সফার করে দিবে। এই ডলার ২ থেকে ৩ দিনের মধ্যে আপনার ব্যাংকে চলে আসবে। আর আপনি টাকা উত্তলণ করে হাতে নিয়ে আসতে পারবেন।

ইউটিউব থেকে কত টাকা আয় করা যায়


YouTube থেকে টাকা আয় করতে হলে আপনার চ্যালেনে প্রথম Monetization চালু করতে হবে। তার পর থেকে আপনার ভিডিওতে Add দেখানো হবে এবং টাকা আয় করার সুযোগ পেয়ে যাবেন। আপনি ইউটিউব চ্যালেন তৈরি করে আপনি মাসে এতো পরিমান টাকা আয় করতে পারবেন যে আপনাকে আর কোনো কিছু করার দরকার হবে না।

ইউটিউব থেকে কত টাকা আয় করতে পারবেন তার সঠিক উওর কেউ দিতে পারবে না। হা অনেক মানুষ অনেক কথা বলবে যে ১০০০ হাজার ভিজিটর্স থেকে ২ থেকে ৩ ডলার পর্যন্ত পেয়ে যাবেন। আসলে মূল কথা হচ্ছে Add এর উপর নির্ভর করে টাকা আয় করতে পারবেন।

আপনার ভিডিওতে যদি দিনে ৫০০০ হাজার এর মতো ভিউস হয় তাহালে আপনি ১৫ থেকে ১৬ $ ডলার পর্যন্ত আয় করতে পারবেন। এতে আপনার চাকরি করার দরকার হবে না।

বর্তমানে এমন অনেক ইউটিউবার আছে যারা প্রতিমাসে লক্ষ লক্ষ টাকা আয় করছে। আপনি প্রথমে লক্ষ লক্ষ টাকা না আয় করতে পারলেও মাসে হাজার হাজার টাকা আয় করতে পারবেন। আর যত দিন যাবে ততো আপনার ভিডিও এর ভিউ বেশি হবে এবং আয় বৃদ্ধি পাবে।

আসলে গুগল এডসেন্স এর দ্বারা ইউটিউব থেকে টাকা আয় করার উপর অনেকটা নির্ভর করে "CPC" এবং "CTR" এর উপর নির্ভর করে। এর মাধ্যমে আপনার ইনকাম বেশি ও হতে পারে আবার কম ও হতে পারে। আপনি যখন একজন  সফল ইউটিউবার হবেন তখন প্রতিমাসে আপনি লক্ষ লক্ষ টাকা আয় করতে পারবেন।

সর্বশেষঃ


ইউটিউব থেকে টাকা আয় করার প্রক্রিয়া আপনাদের আমি ধাপে ধাপে বুঝিয়ে দিয়েছি। তার পর আমি বলেছি কি ভাবে ইউটিউব থেকে কত টাকা আয় করা যায় এবং কি ভাবে একটি ইউটিউব চ্যালেন তৈরি করা সেটাও বিরস্তিত বলেছি।

প্রথমে টাকা আয় করার জন্য আপনাকে একটি ইউটিউব চ্যালেন তৈরি করে তাতে ১ থেকে ৩ মাস একটানা মন দিয় সুন্দর এবং ভালো কোয়ালিটির ভিডিও আবলোড করবেন। ধীরে ধীরে আপনার ভিউস এবং সাবক্রাইব বেড়ে যাবে এবং আপনি প্রচুর পরিমানে টাকা আয় করতে পারবেন।

আমার আর্টিকেলটি সম্পর্ন পড়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। কোনো বিষয়ে বুঝতে সমস্যা হলে নিচে কমেন্ট করে জানাবেন। ইনশাল্লাহ আমি উওর দিবো। ধন্যবাদ

No comments:

Post a Comment