আর্টিকেল লেখার সহজ উপয় (Easy Article Writing) - ABC Media BD

Breaking

Sunday, November 3, 2019

আর্টিকেল লেখার সহজ উপয় (Easy Article Writing)

আর্টিকেল লেখার সহজ উপয় (Easy Article Writing)
আর্টিকেল লেখার সহজ উপয় (Easy Article Writing)


ব্লগ সাইট, ওয়ার্ডপ্রেস সাইট এবং অন্যান্য যে কেন সাইটের জন্য আমরা আর্টিকেল লিখি না কেন সেটা কিন্ত সহজ কাজ নয়। আপনি যদি বাংলা আর্টিকেল লিখেন তার জন্য আপনার প্রয়োজন হবে শুদ্ধ বাংলা ভাষার, আপনি যে বিষয়ে উপর আর্টাকেল লিখবেন সেই সম্পর্কে ভাল ধারনা এবং  বাংলা ভাষা সম্পর্কে ভালো ধারনা। আর যদি আপনি ইংরেজিতে আর্টিকেল লিখতে চাই তাহালে আপনাকে ইংরেজি গ্রামার সম্পর্কে খুব ভাল ধারনা থাকতে হবে। কারণ আপনি যদি গ্রামারে ভুল করেন তাহালে কিন্ত আপনার আর্টিকেলের কোনো ভ্যালু বা মূল্য থাকবে না। আর যে আর্টিকেল লিখবেন সেই সম্পর্কে ভালো ধারনা থাকতে হবে।

আজ আমি আমার এই আর্টকেলের মাধ্যমে আপনাদের বলবো কি ভাবে খুব সহজে আর্টিকেল লেখা যায় (Easy Article Writing)


(১) আর্টিকেল এমন একটি বিষয় যেটা লিখতে হলে আপনাকে প্রচুর রিচার্জ করতে হবে। রিচার্জ না করলে আপনি কখনো আর্টিকেল লিখতে পারবেন না। আপনাকে আর্টিকেল রিচার্জ করার প্রতি মনোযোগী হতে হবে। রিচার্জ করা বলতে আপনি যে বিষয়ে আর্টিকেল লিখতে যাচ্ছেন সেই আগে ভালো করে রিচার্জ করে জানুন। তারপরে আপনি আর্টিকেল লেখা শুরু করুন। আপনার যদি ঔ বিষয়ে ধারনা না থাকে তাহালে আপনি কি ভাবে লিখবেন। আপনি যখন আর্টিকেল সম্পর্কে ভালো ধারনা নিয়ে লিখবেন তখন সেটা ভিজিটারদের কাছে ও ভ্যালু বা মূল্যায়ন হবে। আর ভিজিটররা আপনার আর্টিকেল পড়ে কিছু শিখতে বা জানতে পারবে।

ব্লগ কি? কি ভাবে ব্লগ তৈরি করবো

(২) আপনি যদি ইংরেজিতে আর্টিকেল লিখতে চান তাহালে আপনাকে জানতে হবে। আপনি কতটা ইংরেজি জানেন তার উপর নির্ভর করবে আপনার আর্টিকেল কেমন হবে। আপনি যত ভালো রাইটার হন না কেন যদি আপনি ইংরেজি ভালো না জানেন তাহালে কিন্ত আপনি লিখতে পারবেন না। আমাকে ইংরেজি শিখার জন্য সবচেয়ে বেশি সাহায্য করেছেন ইংলিশ মুভি এবং ইংলিশ সিরিজ গুলো। এগুলো আমাকে ইংরেজি সম্পর্কে অনেক ধারনা দিয়েছে। আমার মতো আপনারা ও ইংলিশ মুভি, ইংলিশ সিরিজ দেখে ইংরেজি শিখতে পারেন। আর আপনি যদি ইংরেজি জানেন তাহালে তো আর কোনো কথা নেই। মূল কথা আপনাকে ইংরেজি ভালো জানতে হবে।

(৩)মূলত আপনাকে বেশ বেশি পড়তে হবে। আপনি যত বেশি পড়বেন আপনি তত বেশি লিখতে পারবেন। এখানে পড়তে বলতে যে বিষয়ে আর্টিকেল লিখবেন সে বিষয় সম্পর্কে পড়তে বলা হয়েছে। আপনার বই পড়ার কথা বলা হয় নি এখানে। মনে করেন আজ আপনি যে আর্টিকেলটা লিখছেন সেই আর্টিকেল সম্পর্কে অনেক আর্টিকেল রয়েছে ইন্টারনেটে। তাহালে আপনার আর্টিকেলটি কেন দেখাবে ভিজিটরের কাছে। আপনাকে সব সময় ঔ সব আর্টিকেল বেশি বেশি পড়ে সুন্দর করে একটি আর্টিকেল পাবলিস করতে হবে। তবে আপনার আর্টিকেল ভিজিটরদের সামনে স্থান পাবে।

(৪) যারা ভাল মানের আর্টকেল রাইটার তারা সব সময় সকালে আর্টিকেল লিখে। কারণ সকালে ঘুম থেকে উঠে মন ফ্রেস থাকে এবং তখন লেখায় মনোযোগ দেওয়া যায়। বিশেষজ্ঞরা রিচার্জ করে দেখেছেন অধিকাংশ আর্টিকেল রাইটার তারা সকালে ঘুম থেকে উঠার পর আর্টিকেল লেখা শুরু করেন। তখন মন চাংগা থাকে। ব্রেইন ঠান্ডা থাকে। তখন দ্রুত আর্টকেল লেখার ধারনা পাওয়া যায়। তার জন্য আপনিও আর্টিকেল সকালে লেখার চেষ্টা করবেন। এতে করে আপনিও দ্রুত ধারনা পাবেন। আপনি সব সময় চেষ্টা করবেন ঠান্ডা ব্রেইনে আর্টিকেল লেখার।

(৫) আপনি যখন আর্টিকেল লিখতে শুরু করবেন তখন আপনাকে একটি বিষয়ে অবশ্যই মনে রাখতে হবে আর্টিকেলের প্যারাগ্রাফ কখনো বেশি বড় করে লিখবেন না। এতে ভিজিটররা পড়তে চাই না। কারণ কিছু কিছু একন সব ভিজিটর রয়েছে যারা বিশাল বড় টেক্সাট দেখে পড়তে চায় না। আপনি সব সময় চেষ্টা করবেন ছোট টেক্সট দিয়ে প্যারা লিখতে। এতে ভিজিটররা পড়ে ও মজা পাবে। আর আপনি যদি মনে করেন না আপনি সম্পর্ন বিষয়টা লিখতে গিয়ে প্যারাটা বড় হবে তাহালে ২ থেকে ৩ টা প্যারায় লিখুন। এতে ভিজিটররা পড়তে সুবিধা হবে এবং তাদের মনোযোগ বাড়বে।

(৬) যে সব জায়গায় হৈ চৈ রয়েছে সেই সব জায়গায় বসে কখনো আর্টিকেল লিখতে যাবেন না। কারণ আপনার মনোযোগ ঠিক থাকবে না। আপনার মন হৈ চৈ এর দিকে থাকবে। সে জন্য সব সময় সুন্দর মনোরম নিরিবিলি পরিবেশ ঠিক করুন। এতে আপনি আর্টিকেল লেখার দিকে মনোযোগ দিতে পারবেন। এক কথায় কেউ আপনাকে বিরক্ত করবে না। সে জন্য সর্বদা আর্টিকেল লেখার জন্য নিরিবিলি পরিবেশ নির্নয় করুন।

নিজের ব্লগে কেমন আর্টিকেল লিখবেন 

(৭) মনে করেন আপনি এখন একটি আর্টিকেল লেখা শুরু করছেন। কিন্ত আপনার আর্টিকেল শেষ না হওয়ার আগে আপনার আর আর্টিকেল দিকে মন বসছে না। তখন আপনি আর্টকেল লেখা বন্ধ করে একটু সময়ের জন্য ঘুরে আসুন। যখন আপনার মন ফ্রেশ হবে তখন আবার লিখতে বসবেন। মনে রাখবেন মন ভালো না থাকলে আপনি কখনো ভাল আর্টিকেল লিখতে পারবেন না।

(৮) আপনি যে বিষয়ে আর্টিকেল লিখবেন ঔ বিষয়ে ছাড়া অন্য কোনো অপ্রাসংগিক বিষয় আর্টিকেলের মধ্যে তুলে ধরবেন না। এতে আপনার আর্টিকেলের ভাব মুত্তি নষ্ট হয়। তাছাড়া ভিজিটররা ও বিরক্ত হয়ে যায়। আপনার আর্টিকেলের মান ও কমে যায়। তার জন্য সর্বদা আর্টকেলে এমন সব কথা লিখবেন যেটা পড়ে ভিজিটরদের কাজে লাগে। সে দিকে সব সময় নজর দিবেন। মনে রাখবেন ভিজিটররা হচ্ছে আর্টিকেলের প্রাণ।

(৯) আর্টিকেল লেখার সময় সব সময় হেডিং সাব হেডিং নির্নয় করবেন। এতে ভিজিটরদের পড়তে সুবিধা হয়। তাছাড়া বুলেট পয়েন্ট দিবেন সম্ভব যদি হয়। এতে আপনার আর্টিকেলের রিড্যাবিলিডি বাড়বে। সাথে সাথে ভিজিটরদের পড়তে সুবিধা হবে।

(১০) আপনি যখন আর্টিকেল লেখা শেষ করবেন তখন বার বার রিভাইজ দিবেন। কোথাও কোনো ভুল রয়েছে কিনা। কোথাও গ্রামারের সমস্যা রয়েছে কিনা না। আপনি নিজে আর্টিকেল পড়ুন এবং আপনার বন্ধুদের দিয়ে ও পড়ান। কোথাও ভুল রয়েছে কিনা। আর গ্রামার চেক করার জন্য এই লিংকে ক্লিক করে, চেক গ্রামারে ক্লিক করুন।

গ্রামার চেক লিংক-https://smallseotools.com/plagiarism-checker

যে গুলো ভুল যাবে সেগুলো ঠিক করুন।

(১১) সর্বদা ১০০% ইউনিক আর্টিকেল লেখার চেষ্টা করবেন। মনে রাখবেন কোনো ভাবে কপি পেষ্ট করা যাবে না। আপনার আর্টিকেলে যদি প্ল্যাগারিজম থাকে তাহালে আপনার আর্টিকেলের অনেক বড় ক্ষতি হবে। এবং আপনার সাইড সার্চ  ইঞ্জিনে র‍্যাংক করবে না। আর কপি রাইট আর্টিকেল পেষ্ট করলে আপনি গুগল এডসেন্স পাবেন না।

(১২) আপনার আর্টিকেল কতটুকু ইউনিক এবং কতটুকু প্ল্যাগারিজম সেটা কি ভাবে জানবেন। তার জন্য নিচে এই লিংকে ক্লিক করবেন।

এখানে ক্লিক করুন

একটি ডেশ বোড দেখতে পাবেন সেখানে আপনার আর্টিকেল পেষ্ট করুন। তার পর চেক প্ল্যাগারিজম ক্লিক করুন। আপনাকে দেখিয়ে দিবে কত % ইউনিক আর কত % প্ল্যাগারিজম।

মোবাইল দিয়ে টাকা আয়

সর্বশেষঃ

উপরের নিয়ম গুলো মেনে যদি আপনি আর্টিকেল লিখতে পারেন তাহালে খুব সহজে সুন্দর করে মানসম্মত  আর্টিকেল লিখতে Easy Article Writing পারবেন। আমার এই টিপস গুলো আপনাকে আর্টিকেল লিখতে সহজ করে দিবে। আমি আশা করি আমার পিটস গুলো আপনাদের কাজে আসবে।

আমার আর্টিকেলটি সম্পর্ন পড়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। কোনো বিষয়ে বুঝতে সমস্যা হলে বা জানতে চাইলে নিচে কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ

No comments:

Post a Comment